উচ্চতা বাড়াবে – যে ১৫ টি খাবার মাত্র এক মাসেই বাড়িয়ে দিবে আপনার উচ্চতা। বিজ্ঞান বলে, ১৮ বছর পর আর মানুষ লম্বা হয় না। কিন্তু মানব দেহ জীবনভরই উচ্চতা বাড়ানোর হরমোন নিঃসরণ করে থাকে। এই হরমোনই উচ্চতা বাড়াতে সাহায্য করে। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে এ হরমোন নিঃসরিত হয়।

বলা হয়ে থাকে, কেউ যদি নিয়মিত একটি সুস্থ ও সক্রিয় জীবনযাপন করতে পারে তবে তার উচ্চতা বাড়ানো সম্ভব। শরীর চর্চা, স্বাস্থ্যকর খাবার উচ্চতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এমন বিশেষ কিছু কিছু খাবার আছে, যেগুলো উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক। শিম:শিমে আছে প্রচুর ভিটামিন ও প্রোটিন। যা আপনার উচ্চতা বাড়াতে খুব কার্যকরি। শিমে থাকা খনিজ উপাদান টিস্যু ও মাংশপেশি গঠনে কাজ করে। এটি স্বাভাবিক ভাবে উচ্চতা বাড়ায়। ডাল বা মটরশুটি জাতীয় খাবার:এ জাতীয় খাবার ভিটামিন ও খনিজ পুষ্টিতে সমৃদ্ধ। যা উচ্চতা বাড়ায়। এ ছাড়া মটরদানা জাতীয় খাবারে কয়েকটি উচ্চতা বৃদ্ধির হরমোনও আছে।
ব্রকলি: এতে আছে উচ্চ হারে ভিটামিন সি, আশঁ এবং আয়রন। এটি দেহের কার্যক্রম ঠিক রাখতে এবং দৈনিক বৃদ্ধির জন্য দায়ী হরমোন এর উদ্দিপনা বাড়াতে সহায়ক। শালগম: শালগমে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন, খনিজ, পুষ্টি এবং খাদ্য আশঁ। এটি আমাদের দেহের বৃদ্ধির জন্য দায়ী হরমোন নিয়ন্ত্রন করে।

গরুর দুধ: গরুর দুধে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম হাড় শক্তিশালী করনে কাজ করে। গরুর দুধে থাকা ভিটামিন এ দেহের ক্যালসিয়াম সংরক্ষনেও কাজ করে। মাল্টা, পেপেঁ, আম, প্যাপসন: সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে। এটি উচ্চতা বাড়ানোর সহায়ক উপাদানগুলোর একটি। মাল্টা, পেপেঁ, আম ও প্যাপসন ফলে আছে ভিটামিন এ, পটাশিয়াম আশঁ এবং ফলেট। এ সবগুলো উপাদান হাড়ের বৃদ্ধি ও উচ্চতা বৃদ্ধিতেও কাজ করে। তালের গুড়:খালি পেটে তালের গুড় খেলে অনেক ভালো ফল পাওয়া যায়। দুধের সঙ্গে তালের গুড় মিশিয়ে খালি পেটে খেলে দুধের কার্যকারিতা ১০ গুন বৃদ্ধি পায়। এ মিশ্রনটি খালি পেটে খেলে সবগুলো পুষ্টি উপাদান শুষে নিতে পারবে আপনাদের দেহ।

কালো তিল, কাজু বাদাম, অশ্বগন্ধা ও দুধ:অশ্বগন্থা হরমোন নিঃসরণে ভূমিকা রাখে। এই কারণে এটি উচ্চতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ও ঘনত্ব বাড়াতেও কার্যকর। কালো তিলে আছে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি ক্যালসিয়ামেরও ভালো উৎস। এটি হাড় ও স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। কাজু বাদামে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম, যেগুলো হাড়ের বৃদ্ধিতে কাজ করে। এই সকল উপাদান দুধের সঙ্গে মিলিয়ে খেলে উচ্চতা বাড়ায়। প্রতিদিন রাতে সকল উপাদান দুধের সাথে মিলিয়ে খেলে উচ্চতা বাড়বে। সয়াবিন: সয়াবিনে যে প্রোটিন থাকে তা হাড় এবং টিস্যুর ঘনত্ব বাড়ায়। এটি মানুষের উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য জরুরি। প্রতিদিন অন্তত ৫০০ গ্রাম সয়াবিন খেলে আপনার হাড় ভালো থাকবে। বাদাম: বাদাম উচ্চ পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ। এতে যে ভিটামিন খনিজ ও অ্যামাইনো এসিড থাকে তা দেহের টিস্যু মেরামত ও মাংশপেশি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফলে উচ্চতাও বাড়ে। সবুজ পাতা বহুল শাক সবজি: সবুজ পাতা বহুল শাক সবজি আমাদের অনেক উপকারে আসে। এতে রয়েছে প্রচুর খাদ্য আশঁ, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। এটি স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। এ ছাড়া গ্রোথ হরমোন নিঃসরনে উদ্দিপনাও যোগায়।
গাজর:গাজর ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ। এটি হাড়ের ক্যালসিয়াম সংরক্ষণ ও হাড়ের বৃদ্ধিতে এটি কাজ করে। প্রতিদিন কম পক্ষে ৩ টি করে গাজর খেলে দেহের উচ্চতা বাড়ে।
পূর্ন শস্য জাতীয় খাদ্য:আপনি যা কিছুই খাবেন তার কার্যকারিতা এ পূর্ন শস্য জাতীয় খাদ্য বাড়িয়ে দিবে। এতে আছে ক্যালসিয়াম ও ক্যালরি। যা স্বাস্থ্যর জন্য খুবই দরকার।
ডিম: উচ্চতা বাড়াতে ডিম সব থেকে জনপ্রিয় খাদ্য। এতে থাকা প্রোটিন উচ্চতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। কুমড়োর বীজ: কুমড়োর বীজে থাকা অ্যামিনো এসিড ও ক্যালসিয়াম উচ্চতা বৃদ্ধিতে কাজ করে থাকে।
স্কিন ক্যান্সারের কারণ ও প্রতিকার:
সারা বছর ত্বকে কম-বেশি র‌্যাশ, প্রদাহ বা ঘামাচি হয়ে থাকে আমাদের। এসব বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এমনিতেই সেরে যায়। কিন্তু ত্বকের বেশ কিছু সমস্যাকে অবহেলা করলে তা কিন্তু মারাত্মক আকার নিতে পারে। আমাদের ত্বকের নানা স্তর এতই স্পর্শকাতর হয় যে আমাদের অসতর্কতার ফলে ছোট কোনো প্রদাহ বা র‌্যাশ থেকেও সৃষ্টি হতে পারে প্রাণঘাতী ক্যান্সার!

কিন্তু কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলেই ত্বকের ক্যান্সার থেকে সহজেই মুক্ত থাকা যায়।
এমন কিছু সতর্কতা সম্পর্কে এবার দেখে নিন-
দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত রোদে ঘোরাঘুরি করা বন্ধ করুন। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়ালেই সতর্ক হবেন। যখনই রোদে বের হবেন, শরীরের সমস্ত খোলা অংশে সানস্ক্রিন মাখুন। অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আপনার ত্বকের উপযুক্ত সানস্ক্রিন বেছে নিন। দীর্ঘ সময় ধরে কড়া সূর্যালোক সরাসরি ত্বকে লাগলে তা চামড়াকে পুড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ক্যান্সারও ডেকে আনে।

অনেককেই পেশার প্রয়োজনে কড়া মেকআপ নিতে হয়। কেউ আবার এমনিতেই সারাক্ষণ কড়া মেকআপ নিয়ে বসে থাকেন। মেকআপের কেমিক্যালস ত্বকের কোষের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। দীর্ঘ দিন ত্বকের ওপর এসব কেমিক্যালসের আস্তরণ ক্যান্সার ডেকে আনে। ঘন ঘন ব্লিচ করার প্রবণতাও কমিয়ে ফেলুন। বরং আস্থা রাখুন ঘরোয়া উপায়ে ত্বক চর্চার। একান্তই ব্লিচ করাতে হলে তিন মাস অন্তর করান।
ত্বকের জন্য নিয়মিত মেডিক্যাল চেকআপ তো দূরের কথা; খুব একটা সমস্যায় না পড়লে আমরা কোনোভাবেই চিকিৎসকের কাছে যেতে চাই না। কিন্তু এই অবহেলার কারণেই রোগ বড় আকার ধারণ করতে পারে। প্রতি মাসে না হলেও দুই মাসে একবার বিশেষজ্ঞ দিয়ে নিজের ত্বক পরীক্ষা করুন। ছোট কোনো অসুখকে দীর্ঘদিন ফেলে রাখলে সেটাই পরে বড় আকার ধারণ করে। ত্বকে অস্বাভাবিক কোনো দাগ বা প্রদাহ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •