শুধু মাত্র মেয়েদের জন্য #যেভাবে পিরিয়ড চলাকালীন ব্যথা কমাবেন।

যেভাবে পিরিয়ড চলাকালীন পিঠ ব্যথা কমাবেন পিরিয়ডের সময়ে পিঠেব্যথাকে দূরে রাখা যাবে কিছু নিয়ম মেনে চললেই।পিরিয়ড চলাকালীন দেখা দেয় নানান ধরণের শারীরিক সমস্যা। যার মাঝে অন্যতম হলো পিঠে ব্যথা। শারীরিক এই অস্বস্তি সাধারণত পিরিয়ড শুরু হবার আগে ও পিরিয়ড চলাকালীন দেখা দিয়ে থাকে। প্রায় সকল নারীই মাসের এই সময়টিতে পিঠে ব্যথার সমস্যাতে ভুগে থাকেন। যন্ত্রনাদায়ক এই সমস্যাটি সাধারণত হয় পিঠের নীচের অংশে।

যার ফলে স্বাভাবিক কাজকর্ম করা অসুবিধাজনক হয়ে ওঠে। কীভাবে সহজ উপায়ে পিরিয়ড চলাকালীন পিঠেব্যথার সমস্যা কমিয়ে আনা সম্ভব সেটাই জানানো হলো আজকের ফিচারে। হাইড্রেটেড থাকার চেষ্টা করা প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে পানি পান করা সুস্বাস্থ্যের জন্য আবশ্যক। তবে, পিরিয়ড চলাকালীন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা খুবই জরুরি। পানি শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। যার ফলে পিঠের পেশীতে তৈরি হওয়া ব্যথাভাব কমানোর ক্ষেত্রে কাজ করে থাকে। প্রতিদিনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি পানের সুঅভ্যাস পিরিয়ডের জন্য তৈরি হওয়া শারীরিক সমস্যা কমাতে কার্যকরী। হারবাল চা পান করা ঘন ঘন পানি পান যদি বিরক্তিকর বলে মনে হতে থাকে তবে চেষ্টা করতে হবে হারবাল উপাদানের চা পান করা। গরম এক কাপ পরিমাণ হারবাল চা শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রশান্তি তৈরি করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, গ্রিন টি, আদা চা, পুদিনা পাতার চায়ে থাকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহ বিরোধী উপাদানসমূহ, যা ব্যাথাভাব কমাতে দ্রুত কাজ করে থাকে। স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করা সাধারণত পিরিয়ড শুরু হবার আগে ও পিরিয়ড চলাকালীন ফাস্টফুড এবং চকলেট খাবার প্রতি তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়। এই সকল খাবার গ্রহণ করার পূর্বে জেনে রাখা প্রয়োজন অতিরিক্ত তেল-চর্বি এবং লবণযুক্ত এই সকল খাদ্য পেটব্যথা এবং ক্ষেত্র বিশেষে পিঠেব্যথা ভাব বাড়িয়ে দেয়। তাই, পিরিয়ড চলাকালীন বিভিন্ন ধরণের খাবার খেতে ইচ্ছা হলে ফল ও সবজী দ্বারা মজাদার ও মিষ্টি জাতীয় খাদ্য তৈরি করে খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। বেশী করে আদা গ্রহণ করা আদা এমন একটি প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান, যেটা সকল বাসাতেই পাওয়া যাবে। পিরিয়ড চলাকালীন শারীরিক সমস্যা ও ব্যথা সমূহ কমানোর জন্যে আদার দিকে ঝোঁকার চেষ্টা করুন। কারণ, আদা শরীরের নীচের অংশে ব্যথাভাব কমাতে কার্যকরি। আদা গ্রহণের ফলে ব্যথাভাব তৈরি হওয়ার জন্য দায়ী প্রোষ্টাগ্ল্যান্ডিন্স নামক হরমোনের নিঃসরণের মাত্রা কমে যায়। যে কারণে পিঠেব্যথার ক্ষেত্রে আরামবোধ হয়। এছাড়াও, পিরিয়ডের জন্য তৈরি হওয়া শারীরিক অবসাদ দূর করতেও আদা দারুণ উপাদান।

ফ্রি-হ্যান্ড এক্সসারসাইজ করা সাধারণত, পিরিয়ডের সময়ে শুয়ে-বসে থাকতেই বেশী ভালো লাগে। যার কারণ হলো, বিভিন্ন ধরণের শারীরিক সমস্যা ও ব্যথাভাব দেখা দেওয়া, বমিভবা দেখা দেওয়া, ক্লান্তিভাব কাজ করা ইত্যাদি। তবে, পিরিয়ড জনিত সমস্যার কারণে তৈরি হওয়া পিঠেব্যথা কমানোর জন্য হালকা শরীরচর্চা খুব ভালো প্রভাব ফেলে থাকে। ভারী ধরণের নয়, একেবারেই ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজের ফলে শরীরের পেশী শিথিল হয়। যে কারণে, ব্যথাভাবের ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়। তাই, পিঠে ও পেটেব্যথা দেখা দিলে ১৫ মিনিট সময়ের জন্য ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করার চেষ্টা করুন।

(Visited 573 times, 8 visits today)

Related Post

You may also like...