জীবনে সফল হতে- পৃথিবীর সর্বোচ্চ ধনী ব্যক্তি বিল গেটস তার সাফল্য অর্জনে ব্যবহার করেছেন ৯টি মূল পরামর্শ। এই পরামর্শগুলো তুলে ধরেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্বস ম্যাগাজিন। ম্যাগাজিন বলছে, এই মন্ত্রগুলো প্রত্যেক মানুষের জন্যই দিকনির্দেশনা বা অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করতে পারে। ## প্রথম পরামর্শ : শক্ত মনের জোর। তার কথা, একজন ব্যবসায়ীকে কঠোর পরিশ্রম করতে তাকে এতটাই প্রস্তুত থাকতে হবে যে, বিশ্রাম নেওয়ার মানসিকতা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে। ## দ্বিতীয় পরামর্শ : বাজে পরিস্থিতির শিকার হওয়া। বিল গেটস মনে করেন, জীবনে বড় ধাক্কা খাওয়া বা বাজে পরিস্থিতির শিকার হওয়াও সাফল্যের অন্যতম মূলমন্ত্র। ## তৃতীয় পরামর্শ : কঠোর পরিশ্রম। বিল গেটস মনে করেন, সাফল্য অর্জনে কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই।

## চতুর্থ পরামর্শ : ভবিষ্যতকে তৈরি করা। বিল গেটস বলেন, ভবিষ্যতের চাহিদার কথা মাথায় রাখুন। প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিত আপডেট করুন। নতুন নতুন আইডিয়াকে সামনে নিয়ে আসুন। ## পঞ্চম পরামর্শ: নিজের কাজ উপভোগ করুন। বিল গেটস বলেন, আপনি যে কাজটি করছেন সেটি আপনাকে উপভোগ করতে হবে। ## ষষ্ঠ মূলমন্ত্র হলো—কার্ড খেলুন। বিল গেটসের প্রিয় খেলা কার্ড। তার মতে, ব্রিজ খেলার বেশ কিছু ভালো দিক রয়েছে। এই খেলা আপনাকে চিন্তা করতে সাহায্য করে। যে ব্যক্তি ব্রিজে ভালো সে অন্য অনেক কিছুতেও ভালো। ## সপ্তম পরামর্শ : অন্যের পরামর্শ নেওয়া। বিল গেটস বলেন, হতে পারে আপনার কাছে কিছু আইডিয়া আছে যেটা আরেকজনের কাছে নেই। আবার আরেকজনের কাছে যে আইডিয়াটা আছে সেটাও হয়তো বা আপনার কাছে নেই। তাই কাছের লোকদের সঙ্গে আলাপ করা ও পরামর্শ চাওয়া বুদ্ধিমান ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক। ## অষ্টম পরামর্শ : ভালো মানুষ নিয়োগ। বিল গেটসের মতে, এমন ব্যক্তিদেরই আপনি আপনার ব্যবসায় সংযুক্ত করুন, যাদের আপনি পরিপূর্ণভাবে বিশ্বাস করতে পারেন। ## নবম পরামর্শ : গড়িমসি না করা। বিল গেটস বলেন, কোনো কাজেই আজ না কাল, কাল না পরশু- এমন করা যাবে না। যখন যে কাজটি করার প্রয়োজনবোধ করবেন তখনই সেটি করে ফেলবেন। জীবনে কোটি টাকার মালিক হতে চাইলে এই ৪টি ব্যবসার কোন বিকল্প নেই.. বিলিয়নেয়ার বা শতকোটি ডলারের মালিক হওয়া মোটেই সহজ কাজ নয়। কারো কারো কাছে এটি ধরা দেয় অল্প বয়সেই। অনেকে আবার সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেও বিলিয়নেয়ার হওয়া তো দূরের কথা উল্টো ঋণে জর্জরিত হয়ে জীবন কাটায়। বিশ্লেষকরা বলছেন, কয়েকটি ব্যবসায় আপনি যদি সঠিকভাবে কাজ করতে পারেন তাহলে আপনার বিলিয়নেয়ার হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এ ব্যবসাগুলোর কথাই তুলে ধরা হলো এ লেখ, তথ্য–প্রযুক্তি: ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ যেমন তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবসায় নেমে ৩০ বছরের আগেই যথেষ্ট ধন-সম্পদ কামিয়েছেন, তেমন বিল গেটসও এই ব্যবসাতেই দীর্ঘদিন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ছিলেন। তারা যে সময়ে এ সম্পদ কামিয়েছেন, তা এখনও শেষ হয়ে যায়নি। এখনও প্রতিবছর তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবসা করে বহু মানুষ বিলিয়নেয়ার হয়ে উঠছেন। ফোর্বস ম্যাগাজিন জানিয়েছে, ২০১৭ সালে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবসায় ১৮৩ জন বিলিয়নেয়ার হয়েছেন, যা গত বছরের চেয়ে ১৪ শতাংশ বেশি।

## গৃহায়ন ব্যবসা: রিয়েল এস্টেট ব্যবসা অতীতে যেমন রমরমা ছিল এখনও তা রয়েছে। তবে আপনাকে এ ব্যবসায় সাফল্য পেতে হলে বেশ কিছু অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে। সাধারণত পারিবারিক ঐতিহ্য রয়েছে এমন ব্যক্তিরা এ ব্যবসায় অন্যদের তুলনায় সুবিধা পান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ব্যবসার সফল ব্যক্তিদের একটি উদাহরণ। ট্রাম্পের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩.১ বিলিয়ন ডলার। চীন ও হং কংয়ের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীরাও বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যবসায়ীদের অন্যতম। বিশ্বে গৃহায়ণ ব্যবসা করে বিলিয়নেয়ার হয়েছেন এমন ব্যক্তির সংখ্যা দুই শতাধিক। # ফ্যাশন ও খুচরা পণ্য: এ ব্যবসাকে অনেকেই তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজে ব্যবহার করেছেন। বিশ্বের ২৩৭ জন বিলিয়নেয়ার ফ্যাশন ও খুচরা পণ্যের ব্যবসায় বিলিয়নেয়ার হয়েছেন। বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ড তারা নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

# ফাইন্যান্স ও বিনিয়োগ: ফোর্বস বিশ্বের যত বিলিয়নেয়ারের তালিকা করেছে তাদের মধ্যে ৩০০ জনই ফ্যাইন্যান্স ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রে ব্যবসা করে সাফল্য পেয়েছেন। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রবাদপুরুষ ওয়ারেন বাফেটের মোট সম্পদের পরিমাণ ৭৮.১ বিলিয়ন ডলার। তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু সঠিকভাবে বিনিয়োগ করা সম্ভব হলে এখান থেকেই ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল অর্থ তুলে নেওয়া সম্ভব, যা প্রমাণ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। এ কারণে এটি বিলিয়নেয়ার হওয়ার সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। জরুরিভিত্তিতে ফের শুরু হচ্ছে স্মার্টকার্ড বিতরণ… জরুরিভিত্তিতে ফের পেপার লেমিনেটেড ও স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু করার জন্য মাঠপর্যায়ে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সহকারী পরিচালক এ এস এম ইকবাল হাসান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নির্দেশনাটি সব আঞ্চলিক কর্মকর্তা, জেলা নির্বাচন অফিসার ও উপজেলা-থানা নির্বাচন অফিসারের কাছে পাঠানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণের গতি তরান্বিত করতে কোনো জেলার একাধিক উপজেলায় মুদ্রিত কার্ড বিতরণের অপেক্ষায় থাকলে পার্শ্ববর্তী যে জেলায় কোনো মুদ্রিত কার্ড নেই অর্থাৎ বিতরণ কার্যক্রম চলমান নেই সে জেলা থেকে আইরিশ ও টেন ফিঙ্গার মেশিন এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক ল্যাপটপ সংগ্রহ করে বিতরণ কার্যক্রম চালানো যেতে পারে। এক্ষেত্রে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা বিষয়টি সমন্বয় করবেন। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, এর আগে গত ১ নভেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা-থানা নির্বাচন অফিসাররা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকায় মাঠপর্যায়ে পেপার লেমিনেডেট জাতীয় পরিচয়পত্র ও স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। এই অবস্থায় অনতিবিলম্বে মাঠ পর্যায়ে পেপার লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র ও স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম জরুরিভিত্তিতে শুরু করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে ইসি।

Related Post