ময়মনসিংহ শহরের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের শিক্ষক শেখ শরিফুল আলমকে লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করে হামলা ও ভাংচুর করেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এ সময় পরিস্থিতি সামাল দিয়ে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পুলিশ। এতে ৫ পুলিশসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার সকালে শহরের জেলা স্কুল মোড়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটে।
বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম প্রাইভেটকারে কলেজ যাওয়ার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন। জেলা স্কুল মোড়ে পৌঁছালে একটি অটোরিকশা তার প্রাইভেটকারে ধাক্কা দেয়। এ সময় অটোচালকের সঙ্গে শিক্ষকের প্রাইভেটকার চালকের বাকবিতণ্ডা হয়।

এ সময় ওই সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ট্রাফিক পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে গেলে তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলমের। এ সময় ট্রাফিক পুলিশ তাকে কলার ধরে লাঞ্ছিত করে এবং পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলমকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এরই প্রতিবাদে বুধবার সকালে জেলা স্কুল মোড়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় গিয়ে বিক্ষোভ করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ গুলিও করেছে। এতে ৫ পুলিশসহ ১৫ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মনসুর আহমেদ জানান, জেলা স্কুল ও টাউন হল মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। তারা কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করে হামলা ও ভাংচুর করেছেন। এ সময় পরিস্থিতি সামাল দিয়ে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পুলিশ। শিক্ষার্থীদের হামলায় ৫ পুলিশ আহত হয়েছে।

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •