এক বুড়া বাপ তার ছেলেকে জেলে চিঠি লিখলঃ’ বেটা, আমার অনেক বয়স হয়েছে। এত বড় ক্ষেত খনন করে ধান চাষ করা আমার পক্ষে সম্ভব না। তুই থাকলে একটু সাহায্য
করতে পারতিস। ছেলে:- জেল থেকে বাবাকে চিঠিতে জবাব দিলঃ ‘তুমি ঐ ক্ষেত খনন কর
না । কারণ, ক্ষেতে আমি আমার,সব অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছি। পরেরদিন কতগুলো পুলিশ গিয়ে পুরো ক্ষেত খনন করে দেখল, কিন্তু অস্ত্র পেলো না। ছেলে আবার তার বাবাকে চিঠি লিখলঃ’বাবা, আমি জেলে থেকে তোমার জন্য এতটুকু সাহায্যই করতে পারলাম। এখন শুধু ধানের বীজ লাগিয়ে দিয়ো।

#### পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খাবার, এক চামচের মূল্য জানলে অবাক হবেন….!##
পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খাবার- দামি খাবারের দাম আর কতই হবে বলুন, নিশ্চয ১০ থেকে ১২ হাজার বা তার চেয়ে আরেকটু বেশি। যারা এমনটা ভাবছেন তারা পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খাবারের দাম শুনলে হয়তো তাদের হৃদস্পন্দনই বন্দ হয়ে যাবে। কারণ পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খাবারের দাম হাজারের ঘরে নেই, সেটা লাখ টাকায় গড়িয়েছে। খাবারটির নাম ক্যাবিয়ার। মাত্র ২৫০গ্রাম খাবারের দাম ১ হাজার ৮৭৫ ইউরো মানে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৬০ টাকা। খাবারটি আসলে স্টার্জন মাছের ডিম।সাধারণত এই মাছগুলোর দেখা মেলে উত্তর ও মধ্য এশিয়া, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকায়। সবচেয়ে উৎকৃষ্টমানের ক্যাভিয়ার হলো ব্ল্যাক ক্যাভিয়ার। এই স্টার্জন মাছ শীতকালে নদীর মোহনায় পাওয়া যায়। অত্যন্ত সুস্বাদু এর ডিম পশ্চিম ইউরোপে মানুষ ষোড়শ শতক ধরে নিয়মিত খাচ্ছে। শেক্সপিয়ার তার বিখ্যাত নাটক ‘হ্যামলেট’ এ ক্যাভিয়ারের কথা উল্লেখ করেছেন।
সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ইউরোপে একটু মোটা ক্যাভিয়ার তাদের কাছে প্রধান খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। তারা ক্যাভিয়ার ভোদকা সহযোগে খেয়ে থাকে। ক্যাভিয়ার প্রস্তুতির সময় ডিমের গা থেকে সতর্কতার সঙ্গে আঁশ এবং চর্বি সরিয়ে ফেলা হয়।
তারপর লবণ মাখিয়ে ছোট জারে কিংবা টিনে ভরে রাখা হয়। এর লবণাক্ত স্বাদ অনেক চমৎকার। দামি এ খাবার সবার ভাগ্যে জোটে না।

ক্যাভিয়ার মূলত খাওয়া হয় ব্রেড বা টোস্ট দিয়ে কিংবা ড্রিংকের সঙ্গে ছোট ছোট বিস্কুটের ওপর রেখে। ধূসর, হালকা সবুজ ও কালো ক্যাভিয়ার ছাড়াও লাল ক্যাভিয়ার ও আছে। এগুলো স্যামন মাছের ডিম দিয়ে বানানো হয়। তবে লালগুলোর স্বাদ তেমন ভালো না।

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •