চার লেন সড়ক – ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের রজপাড়া নামক স্থান থেকে পায়রা বন্দর পর্যন্ত শেখ হাসিনা চার লেন সংযোগ সড়কের কাজ প্রায় শেষের দিকে। ৫ দশমিক ২২৩ কিলোমিটারের এ মহাসড়কের নির্মাণ যজ্ঞ দেখে যে কারোরই চোখ ধাঁধিয়ে যাবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সড়কের ৮০ ভাগ কাজ শেষ। চলতি বছরের মার্চে নির্মাণ কাজ শতভাগ শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। সড়কটি নির্মিত হলে পায়রা বন্দরের সঙ্গে সড়কপথেও পণ্য খালাসের পথ সুগম হবে।
জানা গেছে, উভয় পাশে বৃক্ষ রোপণ, প্রয়োজনীয় সংখ্যক ব্রিজ নির্মাণ, রাস্তা বিদ্যুতায়নসহ ১২ মিটার প্রস্থের আধুনিক সুবিধা রয়েছে এ সড়কে। সড়কটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা। বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী ও এমএম গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড যৌথভাবে সড়কটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করছে।

২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পায়রা বন্দরের উদ্বোধন করা হয়। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি চারলেনের সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। এমএম বিল্ডার্সের সার্ভেয়ার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ৫ দশমিক ২২৩ কিলোমিটার সড়কের সেন্ড পাইল, সেন্ড ফিলিং ও এগ্রিগেট ক্লিয়ারিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ড্রেইলিং কংক্রিট এবং আরসিসি কাজ চলমান আছে। ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বড় আকৃতির বিভিন্ন ভারি মেশিন ব্যবহার করে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে শেখ হাসিনা চারলেন সড়কের নির্মাণ কাজ। অবিরাম কাজ করে চলেছেন এই প্রকল্পের শ্রমিকরা। এম এম গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহম্মদ মঈন জানান, মার্চ মাসে শেখ হাসিনা চারলেন সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

নতুন বছরে সব কর্মচারীকে ৭ লাখ টাকা বোনাস: উৎসব সামনে রেখে বোনাসের প্রচলন সব দেশেই। কর্মচারীদের সন্তুষ্ট করতে সরকারি-বেসরকারি সব কোম্পানি কমবেশি বোনাস দিয়ে থাকে। তবে বোনাস দিতে নোটের পাহাড় গড়া হয়তো এবারই ঘটলে চলেছে প্রথম কোনো ঘটনা। ঘটনাটি ঘটেছে চীনে। দেশটির আসন্ন নববর্ষকে সামনে রেখে কর্মচারীেরে বোনাস দিতে জিয়াংসি প্রদেশের নাংচাং শহরের এক ইস্পাত কোম্পানি রীতিমতো নোটের পাহাড় বানিয়েছে। চীনা প্রাচীন নববর্ষের এই উৎসব বসন্ত উৎসব নামেও পরিচিত। উৎসবকে সামনে রেখে বছর শেষে দেশটির বেশির ভাগ কোম্পানিই তাদের কর্মীদের বোনাস দিতে চলেছে। বোনাস দিতে গিয়ে তাক লাগানো ঘটনা ঘটিয়ে থাকে চীনা কোম্পানিগুলো। চীনা সংবাদমাধ্যম সাংহাইস্টের উদ্ধৃতি দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইস্পাত কোম্পানিটি কর্মীদের বোনাস দিতে ৩০ কোটি ইউয়ান (বাংলাদেশি টাকায় ৩৭০ কোটি) দিয়ে পাহাড়টি গড়েছে, যা ওই কোম্পানির ৫ হাজার কর্মীকে বোনাস হিসেবে দেয়া হচ্ছে। ফলে প্রতিটি ভাগ্যবান কর্মচারী গড়ে বছরের শেষ বোনাস হিসেবে পাচ্ছেন ৬০ হাজার ইউয়ান, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ।

বোনাস সম্পর্কে জানতে চাইলে সাংহাইস্টকে কোম্পানিটির একজন কর্মচারী বলেন, ‘এত বড় বোনাস! আমি জানিই না পুরোটা খরচ করব কীভাবে?’ তবে চীনে এমন ঘটনা এই প্রথম না। গত বছর একটি কোম্পানি তার কর্মীদের একটি গেম শোতে অংশ নিতে বলে। এরপর একটা নির্দিষ্ট সময় বলে দিয়ে তাদের যত খুশি টাকা তুলে নিতে বলা হয়। এবার অনুমান করুন এভাবে কত টাকা নেয়া যেতে পারে?

Related Post