ঝালকাঠির রাজাপুরে রাকিব নামে গণধর্ষণ মামলার এক আসামির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার রাজাপুর সদর ইউনিয়নের আঙ্গারিয়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ভাটা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের বুকে একটি কাগজের চিরকুট লেখা রয়েছে “আমি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার কারিমা আক্তারের ধর্ষক রাকিব। ধর্ষণের পরিনতি ইহাই। ধর্ষকরা সাবধান। হারকিউলিস।
নিহত রাকিব পার্শ্ববর্তী পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের বাসিন্দা এবং ভান্ডারিয়া থানার এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলার আসামি বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন।
রাজাপুর থানার ওসি/তদন্ত মঈদুদ্দিন জানান, দুপুরে লাশ পরে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাথায় জখমের চিহ্ন অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করে। নিহতের বুকে একটি কাগজের চিরকুট লেখা রয়েছে “আমি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার কারিমা আক্তারের ধর্ষক রাকিব। ধর্ষণের পরিনতি ইহাই। ধর্ষকরা সাবধান। হারকিউলিস
……
এর আগে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ভান্ডারিয়ার একটি গণধর্ষণ মামলার আসামি সজল জোমাদ্দার নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে ছিল পুলিশ।

####এবার ঝালকাঠিতে মিলল লাশ, কাগজে লেখা ‘আমি ধর্ষক’######
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ভান্ডারিয়ার একটি গণধর্ষণ মামলার আসামি সজল জোমাদ্দার নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় নিহতের বুকে প্লাস্টিকে মোড়ানো একটি কাগজে লেখা ছিল তার নাম সজল। সে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার আসামি। ধর্ষণের কারণে তাঁর এই পরিনতি। শনিবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের বলতলা গ্রামের একটি মাঠ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত সজল পার্শ্ববর্তী পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের আবুল হোসেন জোমাদ্দারের ছেলে। সে ভান্ডারিয়া থানার একটি গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি। পুলিশ জানায়, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে সজলের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া সার্কেল) মো. মোজাম্মেল হোসেন রেজা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। উল্লেখ্য, গত ১২ জানুয়ারি সকাল ১১টার দিকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের বাড়ি থেকে পাশের হেতালবুনিয়া নানা বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার পথে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে তুলে নিয়ে পানের বরজের ভেতর গণধর্ষণ করা হয়। এ মামলায় সজলকে প্রধান আসামি করে গত ১৪ জানুয়ারি ভান্ডারিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলার পর থেকেই সজল জোমাদ্দার নিখোঁজ ছিল বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

কাঠালিয়া থানার ওসি মো. এনামুল হক জানান, “দুপুরে এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভান্ডারিয়া থানার একটি ধর্ষণ মামলার আসামি সজলের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের চাচা তাকে সনাক্ত করেছেন। আইনগত কার্যক্রম শেষে তার মরদেহ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তার কানের পাশে একটি ক্ষত দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে যে তাকে কেউ গুলি করে মেরেছে”। এর আগে, গত ১৭ জানুয়ারি সাভারের একটি পোশাক কারখানার এক নারী শ্রমিকের ধর্ষণের মামলার মূল আসামি রিপনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রিপনের মৃতদেহেও এই একই ধরণের একটি চিরকুটে লেখা ছিল ‘আমি ধর্ষণের মূল হোতা’।

Related Post