পুরান মোটরবাইক দিলেই- নতুন ইয়ামাহা মোটরসাইকেল মিলছে যেকোনও ব্র্যান্ডের পুরান মোটরসাইকেল দিলেই । নতুন এ উদ্যোগের মাধ্যমে আরও সহজ হলো তরুণদের নতুন ইয়ামাহা বাইকে চড়ার স্বপ্ন। মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর ক্রিসেন্ট এন্টারপ্রাইজে (২৬৪/৪ মধ্য পীরেরবাগ, মিরপুর ৩০০ফিট, ঢাকা) এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কয়েকজন গ্রাহক তাদের পুরনো মোটরসাইকেল এক্সচেঞ্জ করে বুঝে নেন নতুন ইয়ামাহা মোটরবাইক।

মোটরসাইকেল হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন এসিআই মটরস্ এর জেনারেল ম্যানেজার শামীম আহমেদ এবং ক্রিসেন্ট এন্টারপ্রাইজ ও এসিআই মটরস্ এর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। ইয়ামাহার প্লাটিনাম ডিলার ক্রিসেন্ট এন্টারপ্রাইজ এর মিরপুর শোরুমে সম্প্রতি চালু হয়েছে মোটরসাইকেল এক্সচেঞ্জ শপ ইয়ামাহা রাইডারস্ পয়েন্ট। এ এক্সচেঞ্জ শপের মাধ্যমে যেকোনও গ্রাহক তার অন্য ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল অথবা পুরনো ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল এক্সচেঞ্জ করে নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করে ক্রিসেন্ট এন্টারপ্রাইজ এর মিরপুর শোরুম থেকে নিতে পারবেন নতুন ইয়ামাহা মোটরবাইক।

### সুখবর দিলেন নতুন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি, গতকাল শনিবার (২ ফেব্রুয়ারি) এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিনে পুরাতন সিলেবাসে নতুন যারা পরীক্ষা দিয়েছে তাদের খাতা ভিন্নভাবে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি। পাশাপাশি যাদের ভুলের কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে তাদের যথাযথ শান্তি নিশ্চিত করা হবে। আজ রবিবার একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্ন ও ফখরুল ইমামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রীকে বিষয়টি নিয়ে খানিকটা ক্ষোভের মুখোমুখি হতে হয়েছে।প্রথমে মুজিবুল হক মন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘যাদের ভুলে এই সমস্যা হয়েছে তাদের শান্তি কি হবে? আর শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হয়েছে তা কী হবে?’

জবাবে ডা. দীপু মনি বলেন, ‘প্রশ্নটি যৌক্তিক। আমাদের প্রায় চার হাজার কেন্দ্রের মধ্যে কয়েকটি জেলায় কয়েকটি কেন্দ্রে সমস্যাটি হয়েছে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নিয়মিতদের পাশাপাশি কিছু অনিয়মিত পরীক্ষার্থীও থাকে। যারা আগের বছর পরীক্ষা দিয়েছিল, তাদের পরীক্ষা পুরাতন সিলেবাস অনুযায়ী হয়ে থাকে। আর নিয়মিতদের নতুন সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্ন হয়ে থাকে।’ শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র যখন পাঠানো হয় তখন আলাদাভাবেই পাঠানো হয়। শুধু তাই নয়, নির্দেশনা থাকে যে নিয়মিত এবং অনিয়মিতরা ভিন্ন জায়গায় বসবেন যাতে সহজেই তাদের কাছে তাদের প্রশ্নটি যায়।’ মন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম দিন কোনো কোনো কেন্দ্রে সচিবদের ভুলের কারণে কেন্দ্রে অথবা পরিদর্শকদের ভুলের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। যারা নিয়মিত পরীক্ষার্থী অনিয়মিতদের প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের খাতা ভিন্নভাবে দেখা হবে। তাছাড়া যাদের ভুলের কারণে কিংবা যাদের কারণে এমন হয়েছে এরইমধ্যে তাদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।কমিটি তদন্তের ফলাফল সাপেক্ষে ও প্রতিবেদন সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের খাতা সম্পূর্ণ আলাদাভাবে দেখার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার পর আজ এখন পর্যন্ত নতুন কোনো অভিযোগ পাইনি।’ বিতরণের সমস্যা আর কোথাও হবে না বলে আশ্বাস দেন মন্ত্রী।

কিছুক্ষণ পরে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফখরুল ইমাম বলেন, ‘আপনি খাতা আলাদাভাবে দেখার কথা বলছেন? কিন্তু পুরাতন সিলেবাসে পরীক্ষা দেওয়ায় তারা তো খাতায় নাও লিখতে পারেন, তাহলে তাদের আপনি কত নম্বর দেবেন? তাই নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া যায় কি না? ’জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘নতুন করে যদি পরীক্ষা নেওয়া হয় তাহলে তাদের তো নতুন প্রশ্নে পরীক্ষা নিতে হবে। ইতিমধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের যে প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছেন সেটাতেও তো নেওয়া যাবে না। সুতরাং যদি এর চাইতে ভাল পরামর্শ থাকে তাহলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানালে আমরা বিবেচনা করব।’

Related Post