আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ার সাবেক শিক্ষক, এসেইক্স জামে মসজিদ ও ইসলামী একাডেমির পরিচালক লন্ডন প্রবাসী বরেণ্য লেখক ও গবেষক নন্দিত ইসলামিক স্কলার মাওলানা ড. মাহমুদুল হাসান আজহারী বলেছেন মাদরাসা শিক্ষার ফলে ব্রিটিশের ব্রিটিনদের মাঝেও ধীরে ধীরে কুরআনের আলো জ্বলে উঠছে।

‘তুচ্ছ তাচ্ছল্যের দিন শেষ, কওমি মাদরাসা নিয়ে গড়বো দেশ’ এ স্লোগাণের সুর নিয়ে তিনি বলেন কওমি মাদরাসা হলো একটি চেতনার নাম, বিশ্বাসের নাম, সহীহ ঈমান ও আমল শিক্ষা করার ও সংরক্ষণ কেন্দ্রের নাম। আমার প্রিয় মাতৃভূমিতে কিছু স্বার্থবাজ আজ কওমি মাদরাসা নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ঠিক তখনই চীন, জাপান, ভুটান, আফ্রিকা ও আমেরিকার মতো দেশে কুরআন মুখস্ত করতে ব্যস্ত। ৭ ফেব্রুয়ারি’১৯ বৃহস্পতিবার আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ার দুইদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক ইসলামি মহাসম্মেলনে প্রথম দিবসে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন আল জামিয়া আল ইসলামিয়া (জমিরিয়া কাসিমুল উলুম মাদরাসা) পটিয়ার মহা-পরিচালক ও শায়খুল হাদীস আল্লামা মুফতি আব্দুল হালিম বোখারী। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন যুগোগযোগী ও জাগতিক শিক্ষার দোহাই দিয়ে যারা কওমি মাদরাসা শিক্ষাকে প্রশ্নবিদ্ধ ও আলেম ওলামার বিরুদ্ধাচার করে তাদের বুঝা উচিৎ, বিশ্বের সর্বাধুনিক স্টেইজ প্লাটমর্ন ও লাঙ্গেস্ট শহরে কুরআন চর্চায় মগ্ন কেন?

তিনি আরো বলেন তাদের জানানো দরকার যে, ১৫৬ টি মাদরাসাকে ব্রিটিশ সরকার ফান্ড তৈরি করে দিতে বাধ্য হয়েছে, ন্যাশনাল কারিকুলামের শিক্ষার ফলাফলের চাইতে কওমি মাদরাসার শিক্ষার মান ও ফলের হার উচ্চস্থানে স্থান করে বিশ্বের বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ ও মানুষের মনিকোটায় বাস করতে শুরু করেছে।

২০১৪ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের কওমি মাদরাসার নিয়ে জরিপ করেছেন। তারা রিপোর্টে অনেক সাধুবাদ পাওয়ার মতো কথা বলেছেব তন্মধ্যে রিপোর্টে বলেছেন কওমি মাদরাসার শিকড় সাধারণ মানুষের মনে বসবাস করে, পরে তারা মহিলা মাদরাসা নিয়ে জরিপ করে মহিলাদের জন্য মহিলা মাদরাসাই নিরাপদ বলে মন্তব্য করেছেন। মাওলানা কাজ্বী আখতার হোসাইনের সঞ্চালনায় এসময় মঞ্চে জামিয়ার সিনিয়র মুহাদ্দিস ও বহু গন্থের প্রণেতা মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ রফিক উদ্দীনসহ ওলামায়ে কেরাম ও হাজার হাজার তৌহিদী জনতা উপস্থিত ছিলেন ।

Related Post