ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় গত বৃহস্পতিবার তেজগাঁও কলেজের তিন শিক্ষার্থীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক নারী দর্শনার্থীকে উত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্য করে দুই শেকৃবি শিক্ষার্থীকে আটক করে।

এদিকে আটকের খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা আটককৃত ছাত্রদের ছাড়িয়ে আনতে গেলে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হয়। এ সময় তারা রাস্তায় ভাঙচুর করে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ডিএমপির স্টল ‘মেট্রো বেকারস’ ভাংচুর করে।

এ ব্যাপারে বাণিজ্য মেলার ডিউটি অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর সুজন সাংবাদিকদের গতকাল শুক্রবার জানান, ইভটিজিংকে কেন্দ্র করে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রের সাথে মেলায় আগত দুইজন দর্শণার্থীর হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে কিছু বিক্ষুব্ধ ছাত্র সেকেন্ড গেট সংলগ্ন মেট্রো বেকারস এর স্টল ভাঙচুর ও লুটপাট করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুইজনকে আটক করে। পরে ওই রাতে তাদের মধ্যে একজনকে রেখে অন্যজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের হেফাজতে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে ভুক্তভোগী নারী উত্যক্ত করার ঘটনায় শেকৃবির অজ্ঞাতনামা ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়াও ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন শেরেবাংলা নগর থানার ওসি জানে আলম মুন্সী।

এ ব্যাপারে শেকৃবির সহকারী প্রক্টর রুহুল আমিন জানান, গুজব ছড়ানোর কারণে ছাত্ররা পুলিশের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মেট্রো বেকারস ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় একটা অজ্ঞাতনামা মামলা হয়েছে। আটক শিক্ষার্থীদের ছাড়িয়ে আনা হয়েছে।

Related Post