খাটো মানুষের দেশের তালিকা- খাটো হওয়ার নানা কারণ রয়েছে। বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখেছেন, মানসম্মত শিক্ষা, উচ্চ বেতন এবং আত্মমর্যাদার সাথে এই বিষয়টি সম্পর্কিত। এছাড়া জন্মস্থানের ওপরও উচ্চতা নির্ভর করে। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের মানুষের উচ্চতা আগের চেয়ে বেড়েছে। পাশাপাশি কিছু দেশের উচ্চতা কমেছেও। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিউজউইকের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। ই-লাইফ নামের একটি জার্নাল ১৮৯৬ সাল থেকে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের উচ্চতা পর্যবেক্ষণ করে আসছে। এ পর্যন্ত ২০০টিরও বেশি দেশের ১ কোটি ৮৬ লাখ মানুষের উচ্চতা পর্যবেক্ষণ করেছে জার্নালটি।

তাদের এই গবেষণায় উচ্চতার পার্থক্য উঠে এসেছে স্পষ্টভাবে। শুধু তাই নয়, গত কয়েক দশক ধরে উচ্চতা কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে এটাও তাদের গবেষণায় দেখানো হয়েছে। ই-লাইফের গবেষণা বলছে, পুরুষদের মধ্যে গত ১০০ বছর ধরে সবচেয়ে বেশি উচ্চতা বেড়েছে ইরানের। দেশটির নাগরিকদের সব মিলিয়ে গড়ে সাড়ে ছয় ইঞ্চি উচ্চতা বেড়েছে। অর্থাৎ তারা আর খাটো মানুষদের তালিকায় নেই। বর্তমানে খাটো মানুষদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পূর্ব তিমুর। এ দেশের নাগরিকদের গড় উচ্চতা ৫ ফুট ২ দশমিক ৯ ইঞ্চি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইয়েমেন। এখানকার নাগরিকদের গড় উচ্চতা ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি। তৃতীয় স্থানে রয়েছে লাওস। লাওসের নাগরিকদের গড় উচ্চতা ৫ ফুট ৩ দশমিক ১ ইঞ্চি। এই তালিকায় বাংলাদেশ ১৬ নাম্বারে অবস্থান করছে। বাংলাদেশিদের গড় উচ্চতা বলা হয়েছে ৫ ফুট ৪ দশমিক ৪ ইঞ্চি। তালিকায় ভারত ২৩ নম্বরে এবং পাকিস্তান ৪৭ নম্বরে অবস্থান করছে

## জানেন, ভারতের হাই-স্প্রিড ট্রেনের ভাড়া কত?
বন্দে ভারত এক্সপ্রেস বা ট্রেন ১৮ এই মুহূর্তে ভারতের সবথেকে দ্রুতগতির ট্রেন। মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের অধীনে চেন্নাইয়ের কারখানায় তৈরি করা হয়েছে এই ট্রেন। শুরুতে দিল্লি থেকে বারাণসী অবধি চালানো হবে এই ট্রেনটি। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ইঞ্জিনবিহীন সেমি-হাই স্পিড ট্রেনের উদ্বোধন করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের গতি যেমন বেশি, অন্যান্য ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়াও অনেকটাই বেশি। দিল্লি ও বারাণসীর মধ্যে এই ট্রেনের চেয়ারকারের ভাড়া ১৭৯৫ টাকা। যা শতাব্দি এক্সপ্রেসের প্রায় দেড় গুণ।

আর এক্সজিগিউটিভ ক্লাসের ভাড়া প্রায় ৩৫২০ টাকা। যা ওই দূরত্বে চলা যে কোনও প্রিমিয়াম ট্রেনের এসি কামরার ভাড়ার প্রায় ১.৪ গুণ। তবে এই ভাড়ার মধ্যে খাবারের দামও ধরা আছে। রেলের দেওয়া হিসাব অনুসারে, এগজিকিউটিভ ক্লাসে সকালের চা, ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চের জন্য যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ৩৯৯ টাকা। যেখানে চেয়ারকারের যাত্রীদের খাবারের জন্য খরচ হচ্ছে ৩৪৪ টাকা। দুরন্ত গতির এই বিলাসবহুল এসি ট্রেনে দিল্লি থেকে বারাণসী (৮৩৫ কি.মি) যেতে সময় লাগবে প্রায় আট ঘণ্টা। যাত্রাপথে কানপুর ও প্রয়াগরাজ (এলাহাবাদ), এই দু’টি স্টেশনে থামবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস।

## ১০৫ বছর আয়ু পাওয়া জাপানি চিকিৎসকের ৬ পরামর্শ! : ডা. শিগেয়াকি হিনোহারা। ২০১৭ সালের ২৫ জুলাই ১০৫ বছর বয়সে মারা যান জাপানি এই চিকিৎসক। দীর্ঘজীবন ধারণে তাঁকে একজন বিশেষজ্ঞ মানা হয়। তাঁর পরামর্শেই গড় আয়ুর দিক থেকে জাপান বিশ্বে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। বেশি দিন বেঁচে থাকার জন্য তাঁর কিছু পরামর্শ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। বিশেষ করে হিনোহারার ছয়টি পরামর্শ— প্রথম পরামর্শ: যত দেরিতে সম্ভব কর্মজীবন থেকে অবসর নিন। জাপানি এই চিকিৎসক নিজে মৃত্যুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও কর্মজীবনে সক্রিয় ছিলেন। তাঁর এই পরামর্শ খুবই কার্যকর। সাধারণত চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, অবসর নেওয়ার পর যেন তাঁদের বার্ধক্য হু হু করে বাড়ে। দেখা দিতে থাকে নানা অসুখ-বিসুখ। কাজ মানুষের বার্ধক্য আটকে রাখে। দ্বিতীয় পরামর্শ: ওজনের দিকে খেয়াল রাখো। দিনে একবার খাও। ডিনারে মাছ ও সবজির ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। মাংস অবশ্যই খেতে হবে। তবে সপ্তাহে দুবারের বেশি নয়। জলপাইয়ের তেল (অলিভ অয়েল) খাওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। শরীরের ত্বক ও শিরা-ধমনি ভালো রাখার জন্য জলপাই তেল ভালো কাজ করে। তৃতীয় পরামর্শ: আনন্দে সময় কাটাও। অতিরিক্ত নিয়মকানুনের চাপে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। শৈশবে খাবারদাবারের অনিয়ম সত্ত্বেও শরীর অসুস্থ হয় না। কেন? কারণ, মানসিক চাপ থাকে না। মূলত ঘুমিয়ে বা কিছু না করেই শরীর ক্লান্ত না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। চতুর্থ পরামর্শ: যা জানো, তা অন্যকে জানাও। তিনি বিশ্বাস করতেন, আমরা পৃথিবীতে এসেছিই এই সভ্যতায় কিছু না কিছু অবদান রাখার জন্য, মানুষকে সাহায্য করার জন্য। আজ, আগামীকাল, এমনকি পাঁচ বছর পরের পরিকল্পনা করতেন তিনি।

পঞ্চম পরামর্শ: জাগতিক সম্পদ নিয়ে চিন্তা না করা। ভালো থাকার পেছনে অর্থবহ কাজ করাটাই জরুরি। বস্তুগত চিন্তার তুলনায় আধ্যাত্মিক চিন্তায় শরীর ও মন ভালো থাকে বলে বিশ্বাস করতেন। অর্থবিত্ত মানুষকে আরও বেশি মানসিক চাপের মধ্যে ফেলে। অল্পতেই তুষ্ট হওয়া তাই জরুরি। তিনি সব সময় এটা মনে রাখতে বলেছেন, শেষ ঠিকানায় এসব কিছুই সঙ্গে যাবে না। ষষ্ঠ পরামর্শ: সিঁড়ি ব্যবহার করা। হিনোহারা নিজে একবারে সিঁড়ির দুটি ধাপ পার করতেন, যাতে তাঁর পেশি ঠিক থাকে। শারীরিক ব্যায়ামের জন্য দৈনন্দিন কাজকর্মে যান্ত্রিকতা কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। কায়িক শ্রম পছন্দ করতেন। ডাক্তারের পরামর্শকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করতে মানা করতেন তিনি। চিকিৎসকেরা জীবন দিতে পারেন না। তাই অযথা সার্জারি করার বিপক্ষে ছিলেন।

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •