ভয়াবহ ভূমিকম্প – ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বঙ্গোপসাগর এলাকা। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.১। এর জের ধরে কেঁপে ওঠে ভারতের চেন্নাইয়ের বিভিন্ন অংশ।
মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়! জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ১.৩০টা নাগাদ চেন্নাই থেকে ৬০৯ কিমি দূরে সমুদ্রস্তরের ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র।

চেন্নাইয়ে কম্পন অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কে বহুতল ভবন ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন মানুষজন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন বাসিন্দারা। অনেকেই স্মরণ করেছে ২০০৪ -এর সুনামি কিংবা ২০০২-এ গুজরাতের ভূজের ভূমিকম্পের কথা। এর আগে ওই এলাকায় বেশিরভাগ সময় আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় ভূমিকম্প হতে দেখা গিয়েছে। রাতের ভূমিকম্প ২০০৪ সালের সুনামির আতঙ্ক মনে করিয়ে দিয়েছে বলে টুইটারে মন্তব্য করেছেন অনেকে। প্রেমিকা গর্ভবতী, বার্তা পেয়ে প্রেমিকের ‘কীর্তি’ প্রেমিকার পাঠানো ছবি এসে পৌঁছালো ইনবক্সে। আর সেই ছবি দেখে চোখ কপালে উঠলো প্রেমিকের। কারণ প্রেগন্যান্সি পরীক্ষার ফল পজিটিভ। ভ্যাবাচ্যাকা প্রেমিকের প্রতিক্রিয়া এখন ভাইরাল ইন্টারনেট জুড়ে। জানা যাচ্ছে, এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার। বান্ধবীর পাঠানো ছবি দেখে যুবক চমকে উঠে তাকে তৎক্ষণাৎ মেসেজ করে জানতে চান, গর্ভনিরোধক ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও কেন এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে? প্রেমিকের এমন প্রতিক্রিয়া দেখে অবশ্য বেশ মজা পান ওই যুবতী। তিনি আসলে পাঠিয়েছিলেন একটি থার্মোমিটারের ছবি। তাতে দেখা যাচ্ছে তার জ্বরের পরিমাপ। ১০০ ডিগ্রি জ্বরের পরিমাপ করা সেই থার্মোমিটারের ছবিকেই দেখে প্রেগন্যান্সি পরীক্ষার ফল ভেবেছিলেন প্রেমিক। পরে প্রেমিকা তাঁর ভুল ধরিয়ে দেওয়াতে নিশ্চিন্ত হয়ে লম্বা মেসেজ পাঠান তার সেই প্রেমিক। প্রেমিকা তাদের প্রাথমিক কথোপকথনের সেই মজার মুহূর্তের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এরই মধ্যে ১ লক্ষ ৭৫ হাজারেরও বেশি লাইক পড়েছে টুইটটিতে।

‘ক্ষতিকর রশ্মি’ সবচেয়ে বেশি শাওমিতে, কম স্যামসাংয়ে : গবেষণা আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্ট্যাটিসটা আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে কোনটিতে কেমন ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণ হয়, তা নিয়ে জরিপ চালায়। এতে দেখা যায় সবচেয়ে কম ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণ হয় স্যামসাংয়ের হ্যান্ডসেটে। আর সবচেয়ে বেশি বিকিরণ হয় শাওমি’র ফোনে।

গত ৪ঠা ফেব্রুয়ারি স্ট্যাটিসটা এ বিষয়ক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এর আগে, আন্তর্জাতিক বিজনেস ম্যাগাজিন ফরবেসের প্রতিবেদন থেকেও একই ধরনের তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। প্রতিবেদনে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনে ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণের পরিমাপ থেকে দেখা যায়, স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি সিরিজের স্মার্টফোনে গড় বিকিরণের পরিমাণ প্রতি কিলোগ্রামে শূন্য দশমিক ২৪ ওয়াট। তালিকায় সবচেয়ে কম বিকিরণ করা স্মার্টফোন স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি নোট সিরিজের। এ সিরিজের স্মার্টফোন থেকে বিকিরণের পরিমাণ শূন্য দশমিক ১৭ ওয়াট।

স্যামসাংয়ের পাশাপাশি মটোরলা, এলজি এবং জেডটিই ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন সবচেয়ে কম ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণের তালিকায় আছে। এসব ফোনের গড় বিকিরণের পরিমাণ শূন্য দশমিক ২৮ ওয়াট।

তালিকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণের তালিকায় আছে চীনা ব্র্যান্ড শাওমি। এই ব্র্যান্ডের ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণের গড় পরিমাণ ১.৭৫ ওয়াট (এক দশমিক ৭৫ ওয়াট)। এ ছাড়া ওয়ান প্লাস, সনি এক্সপেরিয়া এবং এইচটিসি স্মার্টফোনের বিকিরণের গড় পরিমাণ এক দশমিক ৪৫ ওয়াট। অ্যাপলের আইফোনের গড় ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণের পরিমাণ এক দশমিক ৩২ ওয়াট। এর আগে ফরবেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনা ব্র্যান্ড হুয়াওয়ে স্মার্টফোনের গড় ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণের পরিমাণ ১ দশমিক ৬৪ ওয়াট। নোকিয়া লুমিয়ার এক দশমিক ১৫ ওয়াট। চীনা ব্র্যান্ডের মধ্যে ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণের পরিমাণ সবচেয়ে কম অপো স্মার্টফোনের। এই ফোনের গড় ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণের পরিমাণ শূন্য দশমিক ৭৪ ওয়াট। ফরবেসের প্রতিবেদন অনুযায়ীও স্যামসাংয়ের ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণের পরিমাণ সবচেয়ে কম, শূন্য দশমিক ২৫ ওয়াট।

Related Post