পরকিয়া করে ধরা পরেছে বৌ, রাস্তায় ফেলে মুখে… ঘষে দিলেন স্বামী

পরকিয়া করে ধরা পরেছে বৌ- পরকীয়া এখন ভারতীয় দন্ডবিধিতে লিগ্যাল। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট পরকীয়া কে লিগ্যাল বলে বৈধতা দিয়েছে। আর এর সুযোগ নিয়েই ঘটছে একের পর এক বিভিন্ন ঘটনা। সম্প্রতি খবর পাওয়া গেছে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার এক এমনই কেসের। আসুন দেখে নিই বিস্তারিত। বউয়ের সঙ্গে একাধিক পুরুষের সম্পর্ক রয়েছে! এই সন্দেহের বশে রাগের মাথায় মারাত্মক কাণ্ড ঘটাল স্বামী। ঘটনার জেরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

বিবাহ বহিভূর্ত সম্পর্ক নিয়ে প্রায়শই অশান্তি বাঁধত নদিয়ার বাসিন্দা সম্রাট দাসের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর। মাঝেমধ্যে হাতাহাতিতেও জড়ায় ওই দম্পতি। শনিবার রাতেও একই বিষয় নিয়ে অশান্তি শুরু হয়। অভিযোগ, বচসার সময়ে স্ত্রীকে রাস্তায় ফেলে তার মুখে নিজের …. ঘষে দেওয়ার চেষ্টা করেন স্বামী সম্রাট। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এসে উদ্ধার করেন ওই মহিলাকে। সেই সুযোগে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত স্বামী। খবর দেওয়া হয় পুলিশে।

ওই মহিলাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে তিনি আপাতত সুস্থ রয়েছেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

## ১৫ বছরেই বিয়ের সখ, হোটেলের ঘরে চরম সর্বনাশ কিশোরীর !
বয়স মাত্র ১৫ বছর। ইচ্ছা ছিল বাড়ি থেকে পালিয়ে বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করবে। সেই সিদ্ধান্তেই বাড়ি থেকে পালাল এক কিশোরী। কিন্তু মাঝ রাস্তাতেই ঘটল তার সঙ্গে ভয়ানক কান্ড।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কিশোরী লুধিয়ানার বাসিন্দা। কয়েক মাস আগে দিল্লির বাসিন্দা এক যুবক ওই কিশোরীর পাড়াতে আসেন। সেখান থেকেই কিশোরীর সঙ্গে যুবকের আলাপ হয়। বন্ধুত্ব থেকে শুরু হয় প্রেমের সম্পর্ক। ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয় যুবকটি। কয়েক দিন আগে ওই যুবক দিল্লি ফিরে যায়। কিন্তু তার কাছে যাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে যায় ওই কিশোরী। পুলিশের কাছে ওই কিশোরী জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারির ৩ তারিখ বাড়ি থেকে দেড় হাজার টাকা চুরি করে পালায় সে। প্রথমে, ট্রেনে করে ফিরোজপুরে যায়। সেখানে একটি আশ্রমে এক রাত কাটানোর পরে ফের ট্রেনে চেপে অমৃতসর যায় ওই কিশোরী।

অমৃতসর পৌঁছনোর পরে ওই কিশোরী ট্রেনের বিষয়ে খোঁজখবর শুরু করে। তখন সাহিব সিংহ নামে স্থানীয় এক অটোচালক তাকে জানায় পরের দিন সকালে ট্রেন। রাতে থাকার জন্য কাছেই একটা হোটেল আছে বলে জানায় সাহিব। ওই অটোচালকের কথায় বিশ্বাস করে সেই হোটেলে ওঠে ওই কিশোরী।

কিন্তু মাঝ রাতেই কিশোরীর ঘরে জবরদস্তি ঢুকে পড়ে সাহিব ও তার এক বন্ধু। অভিযোগ, দু’জন মিলে ধর্ষণ করে ওই কিশোরীকে। পরের দিন সকালে ওই কিশোরীকে লুধিয়ানার একটি বাসে তুলে দেয় অভিযুক্তরা। কাউকে কিছু জানালে ফল ভাল হবে না, বলেও হুমকি দেয় তারা। বাড়ি ফিরে ওই কিশোরী পরিবারকে সমস্ত ঘটনা খুলে বলে। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

(Visited 2,389 times, 15 visits today)

Related Post

You may also like...