প্রশ্নপত্রে পর্নোতারকাদের নাম, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

আজ শুক্রবার সকালে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির প্রশ্নপত্রে পর্নোতারকাদের নাম আসার বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্কুলের প্রশ্নপত্রে পর্নোতারকাদের নাম আসাটা অন্যায়। এটি শিক্ষার্থীদের মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেই স্কুলের নামে এ অভিযোগ উঠেছে, তদন্ত করে সেটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি শিক্ষকদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বাংলা প্রথমপত্রের বহু নির্বাচনী প্রশ্নপত্রে (এমসিকিউ) দুটি প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তরে দুই পর্নোতারকা মিয়া খলিফা ও সানি লিয়নের নাম এসেছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে সমালোচনা। অনেকেই নবম শ্রেণির ওই প্রশ্নপত্র ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তা ভাইরাল হয়।

প্রশ্নপত্রের এমসিকিউ অংশের ৮ নম্বর প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে, আম আটির ভেঁপু—কার রচিত? এর উত্তরে চারটি বিকল্পের একটি সানি লিওন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

২১ নম্বর প্রশ্নে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতার নাম কি? এখানে চারটি সম্ভাব্য উত্তরের একটি বলা হয়েছে মিয়া খলিফা। এ ছাড়া ৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, ঢাকার ‘বলধা’ গার্ডেনের পরিবর্তে লেখা হয়েছে ‘বলদা’ গার্ডেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এসএম আশফাক হুসেন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শিকলে বেঁধে নির্যাতন, মাথার চুল কর্তন

নরসিংদীর বেলাবতে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে ঘরে বন্দি করে অমানুষিক নির্যাতনের পর মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে বেলাব থানা পুলিশ উপজেলার জাঙ্গুয়া গ্রাম থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বেলাব থানায় মামলা করা হয়।

এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাঈনউদ্দিন কাদিরের আদালতে ধর্ষণের চেষ্টা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে নির্যাতিতা আদালতে পৃথক একটি পিটিশন দায়ের করেন।

আদালত আগামী এক মাসের মধ্যে বেলাব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্তরা হলো জাঙ্গুয়া গ্রামের সিদ্দিক মিয়ার ছেলে জাকির মিয়া, তার ভাই সামসুজ্জামান, চেরাগ আলীর ছেলে বাচ্চু মিয়া, তার স্ত্রী শিল্পী বেগম, রিমা বেগম ও রহিমা বেগম।

মামলার এজাহারে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে সিদ্দিক মিয়ার ছেলে জাকির মিয়া প্রবাসীর স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করত এবং কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। সবশেষ গত শনিবার রাতে অভিযুক্ত জাকির প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে যায় এবং তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূকে টেনে হিঁচড়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়।

সেখানে তাকে লোহার শিকল দিয়ে খাটের সঙ্গে বেঁধে একটি ঘরে আটকে রাখে। এ সময় তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। খবর পেয়ে ৩ দিন পর গত মঙ্গলবার রাতে বেলাব থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

বেলাব থানার এসআই ওয়াহিদুল্লাহ সজিব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published.